Class 12 Political Science Chapter 9 বিশ্বায়ন Bengali Medium
আপনি যদি Class 12 Political Science Chapter 9 বিশ্বায়ন (Bengali Medium)-এর সহজ ও নির্ভরযোগ্য প্রশ্নোত্তর খুঁজছেন, তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই অধ্যায়টি দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং AHSEC Higher Secondary Examination-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই অধ্যায়ে আপনি বিশ্বায়নের ধারণা, বিশ্বায়নের কারণ, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন, বিশ্বায়নের সুবিধা ও অসুবিধা, উন্নয়নশীল দেশগুলির ওপর বিশ্বায়নের প্রভাব, বহুজাতিক সংস্থা (MNC), উদারীকরণ (Liberalisation), বেসরকারিকরণ (Privatisation), বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এবং ভারতের ওপর বিশ্বায়নের প্রভাব সম্পর্কে সহজ ভাষায় জানতে পারবেন। এই বিষয়গুলো পরীক্ষার জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বর্তমান বিশ্বের পরিবর্তনশীল অর্থনীতি ও রাজনীতি বুঝতেও সহায়ক।
এখানে দেওয়া Question Answer এবং Notes সহজ, পরিষ্কার এবং শিক্ষার্থী-বান্ধব ভাষায় প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি উত্তর সর্বশেষ AHSEC পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে বিষয়টি বুঝতে, মনে রাখতে এবং পরীক্ষায় ভালো নম্বর অর্জন করতে পারে।
আপনি যদি ক্লাস টেস্ট, ইউনিট টেস্ট, বার্ষিক পরীক্ষা অথবা AHSEC HS Final Examination-এর প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন, তাহলে এই অধ্যায়ের নোটস ও প্রশ্নোত্তর আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী হবে।
✨ এই অধ্যায়ে আপনি পাবেন:
- 📘 সহজ ও পরিষ্কার অধ্যায়ভিত্তিক নোটস
- ❓ সম্পূর্ণ পাঠ্যপুস্তকের প্রশ্নোত্তর
- ⭐ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামুখী প্রশ্ন
- 📝 সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা
- 📚 দ্রুত রিভিশনের জন্য সংক্ষিপ্ত নোটস
- 🎯 AHSEC HS পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
Class 12 Political Science Chapter 9 বিশ্বায়ন
নির্বাচিত প্রশ্ন-উত্তর (Selected Questions-Answers)
অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (VSA): (Each 1 Marks)
(a) গ্লোবালাইজেশন’ (Globalisation) বলতে তুমি কী বোঝো?
উঃ: ‘গ্লোবালাইজেশন’ (Globalisation) বলতে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা (interdependence) সৃষ্টি করে এমন আন্তঃসংযোগ (interconnection) ও বৈশ্বিক সম্পর্ক (worldwide linkages) বোঝায়।
(b) “প্রযুক্তি (technology) গ্লোবালাইজেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।” উক্তিটি সত্য না মিথ্যা লিখো।
উঃ: সত্য।
(c) গ্লোবালাইজেশনের একটি ইতিবাচক দিক উল্লেখ করো।
উঃ: ধারণার সহজ বিনিময় (easy exchange of ideas) |
(d) অর্থনৈতিক গ্লোবালাইজেশন (economic globalisation) বলতে কী বোঝায়?
উঃ: অর্থনৈতিক গ্লোবালাইজেশন (economic globalisation) বলতে বিশ্বের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে মূলধন (capital), প্রযুক্তিগত দক্ষতা (technical skills), পণ্য (goods) ও উপকরণ (materials)-এর আদান-প্রদানকে বোঝায়।
(e) ভারতে নতুন অর্থনৈতিক নীতি (New Economic Policy) কবে গৃহীত হয়?
উঃ: 1991 সালে।
(1) সাংস্কৃতিক সংহতির (cultural integration) একটি রূপ হলো- -। (শূন্যস্থান পূরণ করো)
উঃ: গ্লোবালাইজেশন (Globalisation)।
(g) ভারতে অর্থনৈতিক সংস্কার (economic reforms) কখন শুরু হয়? H.S. ’18
উঃ: 1991 সালে।
(h) রাষ্ট্রের (state) জন্য গ্লোবালাইজেশনের একটি ইতিবাচক ফল উল্লেখ করো।
উঃ: প্রযুক্তির (technology) সাহায্যে রাষ্ট্র নাগরিকদের বিভিন্ন তথ্য (information) ও পরিষেবা (services) প্রদান করতে পারে।
(i) বিশ্ব সামাজিক ফোরাম (World Social Forum) কী?
উঃ: বিশ্ব সামাজিক ফোরাম (World Social Forum) হলো এমন একটি মঞ্চ, যেখানে মানবাধিকার কর্মী (human rights activists), শ্রমিক সংগঠন (labour groups), যুবসমাজ (youth communities) ও নারী অধিকারকর্মীরা (women activists) একত্রিত হয়ে নব্য উদারপন্থী গ্লোবালাইজেশনের (neo-liberal globalisation) বিরোধিতা করেন।
(j) প্রযুক্তি গ্লোবালাইজেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। (হ্যাঁ বা না লিখো) H.S. ’18
উঃ: হ্যাঁ।
(k) কোন ক্ষেত্রে গ্লোবালাইজেশন উপকারী নয়?
উঃ: সামাজিক (social) ও সাংস্কৃতিক (cultural) ক্ষেত্রে।
(l) বিশ্ব সামাজিক ফোরামের (World Social Forum) প্রথম বৈঠক কোথায় এবং কবে অনুষ্ঠিত হয়?
উঃ: ব্রাজিলের (Brazil) পোর্তো আলেগ্রে (Porto Alegre)-এ, 2001 সালে।
(m) গ্লোবালাইজেশনের একটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উঃ: মুক্ত বাজার অর্থনীতি (free market economy) 1
(n) ‘সংরক্ষণবাদ’ (Protectionism) কী?
উঃ: ‘সংরক্ষণবাদ’ (Protectionism) বলতে বিভিন্ন দেশের জাতীয়তাবাদী নেতাদের দ্বারা গ্লোবালাইজেশনের প্রভাব থেকে জাতীয় ঐতিহ্য (national traditions) ও স্বার্থ (interests) রক্ষার প্রচেষ্টাকে বোঝায়।
(০) গ্লোবালাইজেশনের প্রক্রিয়া কখন শুরু হয়?
উঃ: 1990 সালে।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Marks – 2 each)
(a) অর্থনৈতিক গ্লোবালাইজেশনের সঙ্গে যুক্ত দুটি সংস্থার নাম লেখো। H.S. ’16
উঃ: (1) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization) এবং (2) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund) |
(b) গ্লোবালাইজেশনের দুটি কারণ উল্লেখ করো। H.S. ’18
উঃ: প্রথমত, উন্নত প্রযুক্তির (advanced technology) আবিষ্কারের ফলে পরিবহন (transport) ও যোগাযোগ (communication)-এর ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, যা গ্লোবালাইজেশনের একটি প্রধান কারণ।
দ্বিতীয়ত, এক দেশ থেকে অন্য দেশে মূলধন (capital), পণ্য (goods) এবং মানুষের (people) দ্রুত প্রবাহ গ্লোবালাইজেশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।
(c) সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য (cultural diversity) বলতে কী বোঝায়?
উঃ: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য (cultural diversity) বলতে প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি বজায় রেখে অন্যদের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে তা সমৃদ্ধ করার সুযোগকে বোঝায়।
(d) গ্লোবালাইজেশনের প্রভাব কি সর্বত্র একই?
উঃ: না, গ্লোবালাইজেশনের প্রভাব সর্বত্র একই নয়। যদিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ একই ধরনের অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করে, তবুও বিভিন্ন অঞ্চলে এর ফলাফল ভিন্ন হয়।
(e) গ্লোবালাইজেশনের প্রধান মাত্রাগুলি কী কী?
উঃ: গ্লোবালাইজেশনের তিনটি প্রধান মাত্রা হলো-অর্থনৈতিক (economic), রাজনৈতিক (political) এবং সাংস্কৃতিক (cultural)।
মাঝারি দৈর্ঘ্যের প্রশ্নোত্তর (Marks – 4 each)
(a) গ্লোবালাইজেশনের চারটি ফলাফল লিখো।
উঃ: গ্লোবালাইজেশনের চারটি ফলাফল হলো-
(1) তথ্যপ্রযুক্তির (information technology) উন্নতির ফলে কম্পিউটার (computer) ও ইন্টারনেটের (internet) মাধ্যমে দেশগুলি সহজে ধারণা বিনিময় করতে পারে।
(2) ভিসা নীতির (visa policies) মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে দেশগুলির মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
(3) দেশগুলির মধ্যে মূলধনের (capital) চলাচলের উপর বিধিনিষেধ কমেছে।
(4) বিশ্বব্যাংক (World Bank), আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization)-এর মতো সংস্থাগুলি তাদের প্রভাব বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত করতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে বহু অঞ্চলে উন্নয়ন ঘটেছে।
(b) গ্লোবালাইজেশনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বা ফলাফল সংক্ষেপে লেখো। H.S. ’18
উঃ: গ্লোবালাইজেশনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য-
(1) অনেক দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনুন্নত দেশগুলি উন্নয়নশীল দেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
(2) পণ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সহজে পরিবহন করা যায়, ফলে ঘাটতি কমে।
(3) উৎপাদনে বিশেষায়ন (specialisation) বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে বৈশ্বিক উৎপাদন (global output) বৃদ্ধি পেয়েছে।
(4) অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা (competition) বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে পণ্য সস্তা হয়েছে।
(c) ভারতে গ্লোবালাইজেশনের প্রভাব আলোচনা করো।
উঃ: ভারতে গ্লোবালাইজেশন অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে-
(1) আমদানি পণ্যের (imported goods) উপর লাইসেন্সিং (licensing) শিথিল করা হয়েছে।
(2) শিল্প লাইসেন্সিং (industrial licensing) প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে।
(3) বেসরকারি খাতের ব্যাংক (private sector banks) এবং যৌথভাবে পরিচালিত বিদেশি ব্যাংকগুলিকে (foreign banks) তাদের আর্থিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
(4) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (World Trade Organization) প্রভাবে বিভিন্ন পণ্যের উপর শুল্ক (tariffs) কমানো বা বাতিল করা হয়েছে।
(d) গ্লোবালাইজেশনের পক্ষে দুটি এবং বিপক্ষে দুটি যুক্তি দাও। H.S. ’15, ’20
উঃ: গ্লোবালাইজেশনের পক্ষে দুটি যুক্তি হলো-
(1) বেসরকারি খাতের ব্যাংক (private sector banks) ও বিদেশি ব্যাংকগুলিকে তাদের আর্থিক কার্যক্রম সম্প্রসারণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
(2) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (World Trade Organization) প্রভাবে পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে।
গ্লোবালাইজেশনের বিপক্ষে দুটি যুক্তি হলো-
(1) আমদানি পণ্যের উপর লাইসেন্সিং (licensing) ব্যাপকভাবে শিথিল করা হয়েছে।
(2) শিল্প লাইসেন্সিং (industrial licensing) প্রায় সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে।
(e) গ্লোবালাইজেশন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত দুটি সংস্থার নাম লেখো। H.S. ’15
উঃ: (1) বিশ্বব্যাংক (World Bank) এবং (2) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund)
রচনাধর্মী প্রশ্ন) (Marks – 6 each)
(a) গ্লোবালাইজেশনের রাজনৈতিক ফলাফল আলোচনা করো। H.S. ’16
উঃ: গ্লোবালাইজেশনের রাজনৈতিক ফলাফল নিম্নরূপ-
প্রথমত, গ্লোবালাইজেশনের ফলে সরকার আইন-শৃঙ্খলা (law and order), জাতীয় নিরাপত্তা (national security), প্রতিরক্ষা (defence) এবং নাগরিকদের সুরক্ষার উপর বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে।
দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাজারভিত্তিক নীতির (market-based principles) গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
তৃতীয়ত, বহুজাতিক সংস্থা (multinational corporations)-এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংস্থাগুলি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করতে সক্ষম। ফলে কখনও কখনও রাষ্ট্র স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যার সম্মুখীন হয়।
চতুর্থত, গ্লোবালাইজেশন দেশগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করেছে- শুধু বাণিজ্য ও ব্যবসায় নয়, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারেও, বিশেষত উন্নত দেশগুলির মধ্যে।
পঞ্চমত, গ্লোবালাইজেশন কিছু রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে, আবার কিছু রাষ্ট্র শক্তিশালী দেশের দ্বারা শোষিত হয়েছে।
(b) গ্লোবালাইজেশনের সাংস্কৃতিক ফলাফল আলোচনা করো। H.S. 119
উঃ: গ্লোবালাইজেশনের সাংস্কৃতিক ফলাফল নিম্নরূপ-
(1) বিশ্বের বিভিন্ন সমাজের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় (cultural exchange) বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে। বিশেষ করে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি (Western culture) বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করেছে।
(2) মানুষ এখন নিজের পছন্দ অনুযায়ী সাংস্কৃতিক উপাদান গ্রহণ বা বর্জন করতে পারে, ফলে বিশ্বব্যাপী ঐক্য ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি পেয়েছে।
(3) বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ (communication) অত্যন্ত দ্রুত হয়েছে, ফলে ধারণা ও অনুভূতির বিনিময় সহজ হয়েছে।
(4) তৃতীয় বিশ্বের (Third World) দেশে উন্নত পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার ঘটায় দেশীয় সংস্কৃতির জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে।
(5) সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ বৃদ্ধির ফলে অনেক সমাজে মানুষের জীবনযাত্রার মান (standard of living) উন্নত হয়েছে।
